এখানে দান করুন
প্রথম যে ভাবে শুরু করা হয়েছে।
প্রথমিক ভাবে পরিচালেকের ব্যক্তিগত অর্থ্যয়নে,মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।বর্তমানে, আত্নীয়-স্বজন ও ধর্মপ্রাণ মুসলামন এবং সাধরন জনগনের স্বতঃফূর্ত অনুদানে মাদ্রাসার সকল কার্যক্রম সচল রয়েছে।তাদের উদার সহযোগিতা মাদ্রাসার পথ চলাকে মসৃন করছে। আলহামদুলিল্লাহ।
মদিনাতুল উলূম দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা লিল্লাহ বোর্ডিং মাদ্রাসা।
লক্ষ্য,উদ্দেশ্য ও মূলনীতি:-পটভুমি:-
দৃষ্টি শক্তি আল্লাহর তাআলার এক মহান নেয়ামত। সমাজের এক উল্লেখযোগ্য অংশ জন্মগতবাবে বা বিভিন্ন করনে এই নেয়ামত থেকে বনঞ্চীত বিশেষ করে যারা একইসাথে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এবং এতিম বা অসহায় তাদরে জীবন চরম অবেহেলা ও অন্ধকারের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়। এই সকল বিশেষ শিশুদের অন্তরে এই‘দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং মাদ্রাসা’ প্রতিষ্ঠিত।
আমাদরে মূলনীতিসমূহ
১. দ্বীনি শিক্ষা ও হিফজুল কুরআন:
প্রতিটি শিক্ষার্থীর অন্তেরে পবিত্র কুরআনের নূর প্রবেশ করানো এবং ব্রেইল পদ্ধতির মাধ্যমে নির্ভুলভাবে কুরআন তিলওয়াত ও হিফজ সম্পন্ন করা আমাদরে প্রধান লক্ষ।
২.ইহসান ও সমমর্তিতা:
এতিম ও প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতি দয়া নয় বরং ইহসান বা সর্বোত্তম আচরেণের মাধ্যমে তাদের আত্মমর্যাদা রক্ষা । তাদের এটি অনুভব করতে দেওয়া যে, তারা সমাজের বোঝা নং বরং সম্পদ।
৩.লিল্লাহ বোর্ডিং ও মানসম্মত আবাসন:
সম্পূর্ণ বিনামূল্যে (লিল্লাহ) শিক্ষার্থীদের উন্নত মানের খাবার নিরাপাদ আবাসন এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। আমানতদারিতার সাথে মানুষের দান ও সদকার সঠিক ব্যবহার করা।
মদিনাতুল উলূম দৃষ্টি প্রতিবন্ধীে এতিমখানা লিল্লাহ বোর্ডিং মাদ্রাসা
একটি অত্যন্ত মানবিক এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এই ধরনের প্রথিষ্ঠানগুলো সাধারণত সমাজের অবহেলিত ও বিষেশ সুবিধাবঞ্চীত (দৃষ্টি প্রতিবনন্ধী) শিশুদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে। এই প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আপনি যদি সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য জানতে চান বা কোন ভাবে সহায়তা করতে চান,তবে নিচের বিষয়গুলোর খেয়াল করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ।
৪.আধুনিক ও কারিগরি দক্ষতা :
কেমব ধমীয় শিক্ষা নয়,আধুনিক প্রযুক্ত যেমন কম্পিউটার ও স্ত্রীন রিড়ার (সফটওয়ার) এবং সমর্থ্য অনুযারী বিভিন্ন বা কারিগরি শিক্ষা মাধ্যমে তাদেরকে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলা।
৫. নৈতিক ও চরিত্রিক উন্নয় :
শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুন্নতি আদর্শ শিষ্টাচার এবং দেশপ্রেম জাগ্রত করা,যাতে তারা আদশ মানুষ হিসেবে সমাজে উদাহরন সৃষ্টি করতে পারে।
৬. স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা :
প্রষ্ঠানের সকল আর্থিক লেনদেন এবং ব্যবস্থাপনায় পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং দাতাদরে আস্থার প্রতিফন ঘটানো।
আমাদের অঙ্গীকার,
আজীবন কুরআনী শিক্ষা,বাস্তবয়ানে নিরলস প্রচেষ্ট।
ধর্মীয় শিক্ষা : দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের ব্রেইল পদ্ধতির মাধ্যমে পবিত্র কুরআন ও অন্যান্য ধর্মীয় কিতাব শিক্ষা দেওয়া।
* আবাসন ও খাদ্য : এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে থাকা এবং উন্নত মানের খাবরের ব্যবস্থা করে (লিল্লাহ্ বোর্ডিং)।
* কারিগরি প্রশিক্ষণ : অনেক ক্ষেত্রে এসব মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের স্ববলম্বী করার জন্য বিশেষ কোনো হস্তশিল্প বা বৃত্তিমূলক শিক্ষা দেওয়া হয়।
আপনি যে ভাকে যুক্ত হতে পারেন।
(১) দান বা সদকা : আপনার যাকাত,সদকা বা ফিতরা দিয়ে এসব শিশুদের পড়ালেখা ও খাবারে খরচ চালাতে হয়। (২)খাদ্য সহয়তা : বিষেশ কোনো দিনের বা উপলক্ষ্যে মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য এক বেলা বা একদিনের খাবারের স্পনসর করা যায়। (৩) প্রযুক্তিগত সহায়তা : দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্রেইল কিট বা অডিও বুক সরবরাহ করা যেতে পারে।
Images
Videos
