এখানে দান করুন
মদিনাতুল উলুম দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং মাদ্রাসা একটি অত্যন্ত মানবিক এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত সমাজের অবহেলিত ও বিশেষ সুবিধাবঞ্চিত (দৃষ্টি প্রতিবন্ধী) শিশুদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে।এই প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আপনি যদি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানতে চান বা কোনোভাবে সহায়তা করতে চান, তবে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:
ধর্মীয় শিক্ষা: দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের ব্রেইল পদ্ধতির মাধ্যমে পবিত্র কুরআন ও অন্যান্য ধর্মীয় কিতাব শিক্ষা দেওয়া।
আবাসন ও খাদ্য: এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে থাকা এবং উন্নত মানের খাবারের ব্যবস্থা করা (লিল্লাহ বোর্ডিং)।
কারিগরি প্রশিক্ষণ: অনেক ক্ষেত্রে এসব মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের স্বাবলম্বী করার জন্য বিশেষ কোনো হস্তশিল্প বা বৃত্তিমূলক শিক্ষা দেওয়া হয়।
আপনি যেভাবে যুক্ত হতে পারেন
১. দান বা সদকা: আপনার যাকাত, সদকা বা ফিতরা দিয়ে এসব শিশুদের পড়ালেখা ও খাবারের খরচ চালাতে পারেন।
২. খাদ্য সহায়তা: বিশেষ কোনো দিনে বা উপলক্ষ্যে মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য একবেলা বা একদিনের খাবারের স্পনসর করা যায়।
৩. প্রযুক্তিগত সহায়তা: দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্রেইল কিট বা অডিও বুক সরবরাহ করা।
একজন এতিম এবং একই সাথে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী (অন্ধ) শিশুর দায়িত্ব নেওয়া ইসলামে
অত্যন্ত উঁচু মাপের সওয়াব এবং সম্মানের কাজ।
এটি কেবল একটি মানবিক কাজই নয়, বরং জান্নাতে প্রবেশের এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি নিশ্চিত মাধ্যম।ইসলামের আলোকে এর ফজিলতগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. জান্নাতে রাসূল (সা.)-এর প্রতিবেশী হওয়া
রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন:
“আমি এবং এতিমের তত্ত্বাবধানকারী জান্নাতে এভাবে থাকব।” (তিনি তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে দেখালেন এবং তাদের মধ্যে সামান্য ফাঁক রাখলেন)। [সহীহ বুখারী]
একজন অন্ধ এতিম শিশুর ক্ষেত্রে দায়িত্বটি আরও বেশি নেক আমল হিসেবে গণ্য হয় কারণ তার যত্নে ধৈর্যের প্রয়োজন বেশি।
২. হৃদয়ের কোমলতা ও মানসিক শান্তি
যদি কেউ তার হৃদয়ের কঠোরতা দূর করতে চায়, তবে রাসূল (সা.) তাকে এতিমের মাথায় হাত বুলানো এবং তাদের খাবার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। একজন দৃষ্টিহীন শিশুর মুখে হাসি ফোটানো মানসিক প্রশান্তি এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত পাওয়ার বড় উৎস।
২. হৃদয়ের কোমলতা ও মানসিক শান্তি
যদি কেউ তার হৃদয়ের কঠোরতা দূর করতে চায়, তবে রাসূল (সা.) তাকে এতিমের মাথায় হাত বুলানো এবং তাদের খাবার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। একজন দৃষ্টিহীন শিশুর মুখে হাসি ফোটানো মানসিক প্রশান্তি এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত পাওয়ার বড় উৎস।
৪. দৃষ্টিহীনদের সেবার বিশেষ মর্যাদা
কুরআন এবং সুন্নাহ অনুযায়ী, যারা শারীরিকভাবে অক্ষম বা দৃষ্টিহীন, তাদের সাহায্য করা বড় ইবাদত। তাদের পথ দেখানো, পড়াশোনায় সাহায্য করা বা জীবনযাত্রার মান উন্নত করা সদকা-এ-জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত।
একটি ছোট পরামর্শ:
আপনি যদি মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সরাসরি একজন বাচ্চার পড়াশোনা ও খাবারের খরচের
(যেমন: মাসে ৩,৫০০ – ৪,০০০ টাকা, দায়িত্ব নেন, তবে সেটি আপনার জন্য পরকালে স্থায়ী আমল হিসেবে জমা থাকবে।
Images
Videos
